বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও লিংকে হাসনাত হাকিম প্রতিবেদনে…
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, এই মূহুর্তে চালের জাতীয় মজুত ২০ লাখ মেট্রিক টনের উপরে। স্বাভাবিক অবস্থায় এই মজুত ১০ লাখ মেট্রিক টন থাকে। তারপরও প্রতি সপ্তাহে চালের মূল্য বাড়ছে যা কাঙ্খিত নয়। এর কারণ খতিয়ে দেখতে আমরা মাঠ পর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।
তিনি আজ বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনের আয়োজনে ‘অবৈধ মজুতদারি রোধে করণীয় ও বাজার তদারকি সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।
এসময় মন্ত্রী আরও বলেন, বাজারে চালের অভাব নেই- চাল ভর্তি। কিন্ত দাম কেন বাড়ছে তা খতিয়ে দেখার নির্দেশনা দিয়ে খাদ্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, মিলের স্টক ভেরিফিকেশন করতে হবে, কতটুকু ক্রাসিং হলো,কতটুকু সরবারহ হলো তা সপ্তাহান্তে নিয়মিত রিপোর্ট করতে হবে। মিল মালিক, ব্যবসায়ী ও আড়ৎদারদের মুনাফা কম করে দেশের মানুষের প্রতি মানবিক হতে হবে।
প্রয়োজন হলে ১০ শতাংশ শুল্কহারে চাল আমদানি করা হবে উল্লেখ করে বলেন, বোরোতে বাম্পার ফলন হয়েছে আমনেও হয়েছে তারপরও চালের দাম বাড়ছে যা হাস্যকর।
মতবিনিময় সভায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার জি এস এম জাফরউল্লাহ এর সভাপতিত্বে রাজশাহী ৩ আসনের সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোসাম্মৎ নাজমানারা খানুম, খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক সাখাওয়াত হোসেন, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো: আব্দুল বাতেন, রাজশাহী জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবুল কালাম সিদ্দিক, রাজশাহী জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল কুমার সরকার, রাজশাহী আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক জি এম ফারুক পাটোয়ারি ও বগুড়ার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আশ্রাফুজ্জামান বক্তব্য রাখেন।
সভায় রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্য,জেলা প্রশাসক,খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা,কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, মিল মালিক, ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যম প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।