কিংবদন্তী কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোরের আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী

শেয়ার করুন

বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও লিংকে তানজিলা আক্তারের প্রতিবেদনে…

 

কিংবদন্তী কন্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোরের আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। এই দিনে কোটি ভক্তকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি।

তিনি বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশের বহু চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। যেজন্য তিনি ‘প্লেব্যাক সম্রাট’ নামে পরিচিত। তার সবচেয়ে জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে, জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প, হায়রে মানুষ রঙের ফানুস, ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি, আমার বুকের মধ্যে খানে, আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন শুনেছিলাম গান, ভেঙেছে পিঞ্জর মেলেছে ডানা, সবাই তো ভালোবাসা চায় প্রভৃতি।

আজ মঙ্গলবার প্লেব্যাক সম্রাট খ্যাত দেশের বাংলা গানের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পি এন্ড্রু কিশোরের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে আজ বিকালে রাজশাহী সিটি গির্জায় পরিবারের পক্ষ থেকে প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। করোনা মহামারিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুবই স্বল্প পরিসরে এ আয়োজন করা হয়েছে। এতে এন্ড্রু কিশোরের পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠজনরা অংশ নেবেন।

দীর্ঘ ১০ মাস ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধ করে অবশেষে গত বছরের ৬ জুলাই সৃষ্টিকর্তার ডাকে সাড়া দিয়ে চলে যেতে হয় তাকে। শরীরে নানা ধরনের জটিলতা নিয়ে এন্ড্রু কিশোর ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে দেশ ছেড়েছিলেন। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে নন-হজকিন লিম্ফোমা নামের ব্লাড ক্যানসার ধরা পড়ে। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে তার চিকিৎসা শুরু হয়। কয়েক মাস ধরে সেখানে তার চিকিৎসা চলে। সিঙ্গাপুরের চিকিৎসা শুরুর কয়েক মাস তার অবস্থা কিছু ভালো হলেও শেষ দিকে এসে আবার অবনতি হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত কোনো উপায় না দেখে দেশে ফেরেন তিনি।

১৯৬২ সালে শিশু শিল্পী হিসেবে রাজশাহী বেতারে তালিকাভুক্ত হন এন্ড্রু কিশোর। প্রেম, বিরহ, হাসি, কান্না, সুখ, দুঃখ বিচিত্র সব অনুভূতির হাজারো সুরের গান গেয়েছেন এন্ড্রু কিশোর। এ গানের জন্যই তিনি পেয়েছেন প্লেব্যাক সম্রাটের উপাধি, পেয়েছে আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।