বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও লিংকে সেলিম উদ্দীনের প্রতিবেদনে…
রাজশাহী মহানগরীর সিটিহাট এলাকায় রাস্তার পাশে ডোবায় ড্রামের ভেতর থেকে গত শুক্রবার উদ্ধারকৃত অজ্ঞাত তরুণীর লাশের পরিচয় পাওয়া গেছে। অজ্ঞাত তরুণীর নাম ননিকা রানী। তিনি ঠাকুরগাঁও সদরের মিলনপুর এলাকার বাসিন্দা।
গ্রেপ্তারের পর খুনি নিজে লাশের পরিচয় জানায়। রোববার ভোরে পিবিআই সদস্যরা ওই তরুণীর খুনি পুলিশ কনস্টেবল নিমাই চন্দ্র সরকারকে গ্রেপ্তার করে।
পরে তার দেয়া তথ্যে দিনভার অভিযান চালিয়ে মাইক্রোবাস চালকসহ তার তিন সহযোগিকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। এ সময় জব্দ করা হয় লাশ পরিবহনে ব্যবহার করা মাইক্রোবাসটি।
গ্রেপ্তারকৃত পুলিশ কনস্টেবল নিমাই চন্দ্র সরকারের বাড়ি পাবনার আতইকুলা উপজেলার চরাডাঙ্গা গ্রামে। সে রেল পুলিশের (জিআরপি) রাজশাহী থানায় কর্মরত ছিলেন। রাজশাহী পিবিআইয়ের একটি টিম রোববার ভোর রাতে নাটোরের লালপুরে বোনের বাড়ি থেকে নিমাইকে গ্রেপ্তার করে। পরে জিঞ্জাসাবাদে সে নিহত তরুণীর পরিচয় জানায়।
গ্রেপ্তারকৃত নিমাইয়ের সহযোগিরা হলেন, নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার আদারীপাড়ার কবির আহম্মেদ (৩০), রাজপাড়া থানার শ্রীরামপুর এলাকার সুমন আলী (৩৪) এবং মাইক্রোবাস চালক নগরীর বিলশিমলা এলাকার আব্দুর রহমান (২৫)।
পিবিআই জানায়, নগরীর তেরখাদিয়া এলাকার একটি বাড়িতে ওই তরুনীকে হত্যা করা হয়। ওই বাড়িটি জিআরপির কনস্টেবল নিমাই চন্দ্র গত ৬ এপ্রিল ভাড়া নেয়। তার স্ত্রীও পুলিশ কনস্টেবল। সে বগুড়ায় কর্মরত। রোববার বিকেলে পিবিআই সদস্যরা ওই বাড়িতে তদন্তে যায়।
পিবিআই আরও জানায়, কনস্টেবল নিমাই হত্যার কথা স্বীকার করেছে। সে জানিয়েছে ৬/৭ বছর ধরে ননিকা রাণীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও হয়। সম্প্রতি সে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। এ কারণে তাকে হত্যার পর ড্রামে লাশ ভরে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে গিয়ে ফেলে দেয়।