রাজশাহীতে মিনি কোল্ড স্টোরেজ কার্যক্রম ও পেঁয়াজের বীজতলা কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন

শেয়ার করুন

বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও লিংকে তানজিলা আক্তারের প্রতিবেদনে…

রাজশাহীতে ফল সংরক্ষণের মিনি কোল্ড স্টোরেজ কার্যক্রম ও গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের বীজতলা পরিদর্শন করেছেন কৃষি মন্ত্রণালয়।
আজ বুধবার বিকেলে পুঠিয়া উপজেলার শিবপুরহাট এলাকায় ফল সংরক্ষণের মিনি কোল্ড স্টোরেজ কার্যক্রম ও গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের বীজতলা পরিদর্শন করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মেসবাহুল ইসলাম। এ সময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মোঃ আসাদুল্লাহ , রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতি: পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ সিরাজুল ইসলাম, জেলার উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কেজেএম আব্দুল আউয়াল, প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ ড. এস এম. হাসানুজ্জামানসহ কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে সিনিয়র সচিব বলেন, বাংলাদেশ সবজি ও ফল উৎপাদনে পৃথিবীতে রোল মডেল হলেও ফল ও সবজির সঠিক সংরক্ষণের অভাবে দেশে হাজার হাজার টন ফল ও শাক-সবজি নষ্ট হয়। ক্ষুদ্র পরিসরে তৈরি হিমায়িত সংরক্ষণাগারে সংরক্ষণকাল ১ মাস পর্যন্ত বাড়িয়ে এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে। এছাড়াও তিন বছরের মধ্যে দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন ১০ লাখ টন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হলে এই উচ্চফলনশীল গ্রীষ্মকালীন বারি-৫ জাতের পেঁয়াজের চাষ সারা দেশে দ্রুত বাড়াতে হবে। গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বারি-৫ হেক্টর প্রতি ফলন প্রায় ১৯ মেট্রিক টন। এ লক্ষে পুঠিয়া উপজেলায় কৃষি প্রণোদনার আওতায় প্রায় ৪৫০ জন চাষীকে সার, বীজ, বালাইনাশক এবং পরিচর্যা খরচ ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে।

পরিদর্শনের সময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি, কৃষি তথ্য সার্ভিস, ধান গবেষণা, এসআরডিআই, ফল গবেষণা, গম ও ভুট্টা গবেষণা, লাক্ষ্মা গবেষণা, বিনা, বিএডিসি, বিএমডিএ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং অন্যান্য ব্যক্তিবর্গসহ শতাধিক কৃষক কৃষাণী জন উপস্থিত ছিলেন।