বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও লিংকে তানজিলা আক্তারের প্রতিবেদনে…
রাজশাহী মহানগরীতে রোগীর সাথে চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. নাইমুল হকের প্রতারণার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১ টার দিকে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অভিযোগকারী রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক পরিচালক হারুনুর রশীদ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর মানুষের চিকিৎসার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এক চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নজিরবিহীন প্রতারণার শিকার হয়েছেন আমার স্ত্রী লায়লা রশীদ। আমার স্ত্রীকে চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. নাইমুল হককে দেখালে নানা ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা করে চোখে ইনজেকশন দিতে বলে ১ম বার ইনজেকশনে ৩০ হাজার টাকা, ২য় ও ৩য় বার ৯ হাজার টাকা করে মোট চোখের চিকিৎসায় ৪৬ হাজার টাকা নিয়েছেন। তৃতীয় ডোজ ইনজেকশন দেয়ার ১৫ দিন পর আমার স্ত্রীর চোখে আবার আগের সমস্যা দেখা দেয়। তিন মাস ধরে চিকিৎসা ও ইনজেকশন দেয়ার পর কোন উন্নতি হয় নি। তখন আমরা রোগীকে আবারো ঢাকায় বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. মাহফুজুর ইসলামকে দেখানো হলে তিনিও পরীক্ষা নিরীক্ষা করে চোখে ইনজেকশন দেওয়ার পরামর্শ দেন। আমরা তখন ডা. নাইমুল হকের কাছে ইনজেকশন নেওয়ার বিষয়টি জানাই। তখন তিনি আবারো পরীক্ষা করে বলেন আমি কোনো ইনজেকশন দেওয়ার লক্ষণ দেখতে পাচ্ছি না। উনি হয়তো ডিস্টিল ওয়াটার বা স্যালাইন পানি পুশ করেছেন। ডাক্তারের কথায় আমরা হতভম্ব হয়ে পড়ি।
একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ হিসেবে ডা. নাইমুল হক রোগীর সাথে এ ধরনের বাটপারি করতে পারেন তা ভাবা যায় না। চিকিৎসার নামে এ ধরনের প্রতারকের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থাসহ তার বিএমডিসি সনদ বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক পরিচালক হারুনুর রশীদ ও রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সাধারণ সম্পাদক গোলাম জাকির হোসেনসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।