বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও লিংকে সেলিম উদ্দীনের প্রতিবেদনে…
রাজশাহীর পুঠিয়ায় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা খাদিজা আক্তারকে (৪০) হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় স্বামী ও শ্বাশুড়িকে আসামী করা হয়েছে। নিহত খাদিজার মা বাদী হয়ে এ হত্যা মামলাটি দায়ের করেন।
গতকাল বুধবার সকালে স্বামীর বাড়ি থেকে খাদিজার মরদেহ উদ্ধার করে পুঠিয়া থানা পুলিশ। এ সময় পুলিশ নিহতের স্বামী ওহাবকেও আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত খাদিজা পবা উপজেলা কৃষি অফিসে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৭ বছর পূর্বে উপজেলার জিউপাড়া ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে ওহাবের সঙ্গে খাদিজার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন কারনে ওহাব তার স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো। গত ২৯ জুন রাতেও তাকে শারীরিক নির্যাতন করে এবং মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করে। হত্যার পর বিষয়টি ভিন্ন ঘাতে প্রবাহিত করতে তার মরদেহ ঘরের তীরের সাথে ঝুলিয়ে রাখেন তারা।
এদিকে আটক আবদুল ওহাব পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে পরকিয়া সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ হতো। ২৯ জুন রাতে সে ঘরের তীরের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
এ ব্যাপারে পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সোহরাওয়ার্দী হোসেন জানান, পরিবারের অভিযোগ, তার মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়েছে এবং মরদেহের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহতের মা বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করলে এজাহারটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আটক ওহাবকে হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।