সরকারের উদ্যোগে হয়তো টিকতে পারে রাজশাহী সীমান্তের এই গ্রামটি

🗓 Thursday, 17 December 2020

👁️ ১৯ বার দেখা হয়েছে

🗓 Thursday, 17 December 2020

👁️ ১৯ বার দেখা হয়েছে

বিস্তারিত দেখুন ভিডিও লিংকেঃ      

 

রাজশাহীর সীমান্তবর্তী গ্রাম চর খিদিরপুর। পদ্মার নদী ভাঙ্গনে চর খিদিরপুর পূর্ব পাড়া গ্রাম বছর বারো আগেই নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখন খিদিরপুর পশ্চিম পাড়া গ্রামও ভাঙ্গনের শেষ প্রান্তে। পদ্মা নদীর ভাঙ্গন এভাবে চলতে থাকলে পদ্মা ঢুকে যাবে প্রতিবেশী দেশ ভারতে। এমন আশঙ্কাই করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তাই সীমান্তের এই গ্রামকে বাচাঁনোর জন্য সরকারের সহযোগিতা চাইলেন স্থানীয় বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধি। রাজশাহীর পবা উপজেলার চরখিদিরপুর পশ্চিম পাড়া গ্রামে শহর থেকে নৌকায় যেতে সময় লাগে প্রায় এক ঘন্টা। এ গ্রামে ১৫-২০ বছর আগে প্রায় ২০ হাজার লোকের বসবাস ছিল। সেসময় পাকা রাস্তা ছিলো ১৪ কিলোমিটার, দুইতলা বিশিষ্ট তিনটি স্কুল, তিনটি আশ্রয় কেন্দ্রে ও একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ছিলো। চরের ছেলে মেয়েরা নিয়মিত স্কুলেও যেত। মাঠে ধানের আবাদ থেকে শুরু করে শীতকালীন সবজির চাষ হতো এখানে। সীমান্তবর্তী এই গ্রামে সৌরবিদ্যুতেই চলে সকল কার্যক্রম।

এর আগে চরখিদিরপুর পূর্বপাড়া গ্রাম নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে। বর্তমানে নদী ভাঙ্গনের ফলে এ গ্রামের বসবাসকারির সংখ্যা কমে প্রায় আড়াই থেকে তিন হাজারের মতো রয়েছে। আর এখন ভোটার রয়েছে প্রায় বারো’শোর মতো। কিন্তু উত্তাল পদ্মায় পাড় ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে গত বছর খিদিরপুরের পশ্চিমপাড়ার শেষ চিহ্ন সীমান্তের ১৬৩-১ এস পিলারও নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

পদ্মার ভাঙ্গন দেখে বোঝা যাচ্ছে আগামী বর্ষা মৌসুমে চরখিদিরপুর পশ্চিম পাড়া গ্রামের বসত বাড়িগুলোও বিলীন হয়ে যাবে। তখন এই গ্রামেরও কোন অস্তিত্ব থাকবে না। তাই স্থানীয় বসবাসকারিদের দাবি সরকার যদি বাঁধ বা ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী কোন উদ্যোগ নিতো তাহলে সীমান্তের এই গ্রামকে রক্ষা করা সম্ভব হতো।

নদীর ভাঙ্গনে গ্রামের অবস্থা খুবই খারাপ। সরকারি সহযোগিতা ছাড়া আমাদের যাওয়ার কোন জায়গা নেই বলে জানালেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। চরের এই গ্রামের অংশটুকু নদী গর্ভে বিলীন হলে, তখন নদী গ্রামটি ভেদ করে ভারতে প্রবেশ করবে। তাই সীমান্তের এই গ্রামকে বাচাঁনোর জন্য সরকারের সহযোগিতা চায় চরে বসবাসকারিরা।

এই বিভাগ এর আরো খবর

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর