পারমাণবিক সাবমেরিন শক্তিতে কে এগিয়ে-যুক্তরাষ্ট্র নাকি রাশিয়া?

🗓 Saturday, 2 August 2025

👁️ ৪ বার দেখা হয়েছে

🗓 Saturday, 2 August 2025

👁️ ৪ বার দেখা হয়েছে

বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও লিংকে এস,এম, আব্দুল্লাহর উপস্থাপনায়…

সাবেক রুশ প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভের উসকানিমূলক মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে রাশিয়ার উপকূলের কাছাকাছি দুটি পারমাণবিক সাবমেরিন মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই সিদ্ধান্ত নতুন করে আলোচনায় এনেছে—গভীর সমুদ্রে পারমাণবিক সাবমেরিন শক্তিতে কে বেশি প্রভাবশালী: যুক্তরাষ্ট্র নাকি রাশিয়া? যুক্তরাষ্ট্রের সাবমেরিন শক্তি যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী মূলত প্রযুক্তিনির্ভর, নিখুঁত নিশানা ও নিঃশব্দ চলাচলে পারদর্শী সাবমেরিন বহরের জন্য পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রের বহরে আছে কমপক্ষে ৫১টি পারমাণবিক সাবমেরিন, যার মধ্যে ১৪টি ওহাইও-ক্লাস ব্যালিস্টিক সাবমেরিন, যেগুলো ২০টি পর্যন্ত ট্রাইডেন্ট-২ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম। আক্রমণাত্মক সাবমেরিনের মধ্যে রয়েছে ভার্জিনিয়া, সিউলফ এবং লস অ্যাঞ্জেলেস ক্লাস, যেগুলো টমাহক মিসাইল, টর্পেডো এবং অন্যান্য অস্ত্র বহনে সক্ষম।

ভার্জিনিয়া-ক্লাস যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে আধুনিক আক্রমণ সাবমেরিন, যা গোয়েন্দা, নজরদারি এবং বিশেষ অভিযানে ব্যবহৃত হয়। এই সাবমেরিনগুলো স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে কাজ করতে পারে, শব্দহীনভাবে দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকতে পারে এবং আধুনিক প্রযুক্তির জন্য এগুলো শনাক্ত করাও কঠিন। রাশিয়ার সাবমেরিন শক্তি অন্যদিকে রাশিয়া সংখ্যায় কিছুটা এগিয়ে এবং ধ্বংসাত্মক শক্তিতে বেশ প্রতিক্রিয়াশীল। রাশিয়ার বহরে রয়েছে প্রায় ৬৪টি পারমাণবিক সাবমেরিন, যার মধ্যে ১৪টি ব্যালিস্টিক মিসাইল সাবমেরিন (বোরেই ও ডেল্টা-৪ ক্লাস)। বোরেই-ক্লাস সাবমেরিন হচ্ছে রাশিয়ার সবচেয়ে আধুনিক, যা ১৬টি বুলাভা ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৬টি টর্পেডো লঞ্চার বহনে সক্ষম। আক্রমণাত্মক সাবমেরিনের মধ্যে রয়েছে ইয়াসেন-ক্লাস, যা অপেক্ষাকৃত ছোট কিন্তু দূরপাল্লার মিসাইল হামলায় সক্ষম। আকুলা-ক্লাস সাবমেরিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস-ক্লাসের জবাব হিসেবে তৈরি, যেগুলো ক্যালিবার, অনিক্স, গ্রানিত ক্ষেপণাস্ত্রসহ বহুমুখী অস্ত্র বহনে সক্ষম। রাশিয়ার সাবমেরিনগুলো তুলনামূলক বেশি ভারী, কিছুটা পুরনো প্রযুক্তি ব্যবহার করে, তবে বিস্ফোরণ ক্ষমতা ও প্রতিক্রিয়াশীলতা বেশ শক্তিশালী।

বিশেষ করে আর্কটিক অঞ্চলসহ নিজের জলসীমায় এগুলো কার্যকর প্রতিরক্ষা দেয়। যুক্তরাষ্ট্র সাবমেরিন প্রযুক্তিতে বেশি আধুনিক এবং সুনির্দিষ্ট আক্রমণে পারদর্শী। রাশিয়া সংখ্যায় এগিয়ে এবং বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় ভয়ংকর প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি হিসেবে বিবেচিত। সাগরতলের এই ‘শান্ত যুদ্ধ’-এ কারা এগিয়ে, তা নির্ভর করছে প্রয়োগ, কৌশল এবং প্রযুক্তির ব্যবহারের উপর।

 

এই বিভাগ এর আরো খবর

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর