বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও লিংকে সেলিম উদ্দীনের প্রতিবেদনে…
সারাদেশে চলছে সাত দিনের লকডাউন। তার মধ্যেই সরকার গতকাল শুক্রবার থেকে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত পাঁচ দিনের জন্য দোকান-পাট, ব্যবসা-বানিজ্য, শুপিং মল ও মার্কেটসহ সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত খোলার অনুমতি দিয়েছে।
এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দিলেও সংগে রয়েছে বেশ কিছু নির্দেশনা। এর মধ্যে দোকানে পর্যপ্ত পরিমানে স্যানিটাইজার ব্যবহার, সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা এবং সর্বপরি মাস্ক ব্যবহার করা।
কিন্তু বিভাগীয় মহানগরী রাজশাহীর সবচেয়ে বড় মার্কেট সাহেববাজারস্থ আরডিএ মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে কমবেশি সকলেই মাস্ক পরিধান করলেও কাউকেই সামাজিক দুরত্ব মানতে দেখা যাচ্ছে না। প্রত্যেক দোকানে স্যানিটাইজার থাকলেও তা ব্যবহারে রয়েছে উদাসীনতা।
তবে ব্যবসায়ীরা লকডাউনে দোকান-পাট খুলে দেওয়ায় সরকারের প্রতি অনেকটা খুশি। আবার আগামী ১৪ তারিখ থেকে সরকার নতুন করে যে কঠোর লকডাউন দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে তাতে অনেক ব্যবসায়ী হতাশা প্রকাশ করে বলেন।
স্বাস্থ্যবিধি মেনেই তারা দোকান খুলছেন। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে এবং মাস্ক পরিধান করলেই কেবল পন্য বিক্রয় করা হচ্ছে। এবার ঈদের ব্যবসার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকার পণ্য ক্রয় করা হয়েছে। কিন্তু এ পণ্য কিক্রয় করতে না পারলে আমরা পথে বসে যাবো। এর আগের লকডাউনের সময় আমরা খুব কষ্ট করে পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদ করতে হয়েছে। তাই ঈদের আগে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ব্যবসা করতে চাই।
এছাড়া রাজশাহীতে গণপরিবহন বাস, ট্রাক, হিউম্যান হলার না চললেও নিত্য প্রয়োজনীয় বাজার করার জন্য নগরবাসী রিকশা, অটো-রিকশা, ভ্যান ব্যবহার করছেন।