বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও লিংকে সেলিম উদ্দীনের প্রতিবেদনে…
রাজশাহীর চারঘাটে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ও সহকারী সার্জন ডা: আতিকুল হককে গ্রেফতার ও কারাগারে প্রেরণের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকালে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হাসপাতালের সামনে ডা: আতিকুল হকের মুক্তির দাবিতে এ মানবন্ধন কর্মসুচি পালন করেন।
মানববন্ধনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা বলেন, রোগীকে সুস্থ্য করে তুলতে চিকিৎসকরা দিনরাত পরিশ্রম করেন আর সেই চিকিৎসককে যখন একটি মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে অপবাদ দেয়া হয়। আর যখন কোন বিচার পাওয়া যায় না, উল্টো চিকিৎসককেই জেলে যেতে হয়। তখন সেবা দিয়ে লাভ কি? প্রশ্ন চিকিৎসকদের। এসময় তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও ষড়যন্ত্র মুলক মামলা প্রত্যাহারসহ তাকে দ্রুত মুক্তির দাবি জানানো হয়। অন্যথায় ডাক্তাররা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বলে হুশিয়ারী উচ্চারন করেন। এছাড়া তার মুক্তির দাবি জানিয়েছে ৩৯তম বিসিএস ক্যাডার পরিবার নামের একটি সংগঠন।
এ ব্যাপারে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ডা: আশিকুর রহমান বলেন, ডা: আতিক একজন মানবিক চিকিৎসক। করোনা মহামারীর সময় করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির স্পর্শে যেতে পরিবারের লোকজনই যখন ভয় পেয়েছে। সেখানে ডা: আতিক নিজের ও পরিবারের কথা চিন্তা না করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা প্রদান করেছেন এবং দুবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। এমন একজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এমন ন্যাক্কার জনক অপবাদ দেওয়ায় চিকিৎসকরা আজ মর্মাহত। দ্রুত এ ধরণের মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলার সুষ্ঠ তদন্ত করে দোষীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন ডা: আশিকুর রহমান। এসময় অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন, ডা: রিয়াদ আলী, ডা: আফজাল হোসেন প্রমুখ।
প্রসঙ্গ, গত প্রায় ৮মাস পুর্বে উপজেলার গোপালপুর এলাকার জনৈক ব্যাক্তির স্ত্রী রাজশাহীর বিজ্ঞ আদালতে স্পর্শ কাতর স্থানে হাত দেয়ার অভিযোগ তুলে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত সহকারী সার্জন ডা: আতিকুল হককে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় ডা: আতিক এখন রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।