বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও লিংকে সেলিম উদ্দীনের প্রতিবেদনে…
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে শহীদ ড. শামসুজ্জোহা দিবস ও শিক্ষক দিবস। দিবসটি উপলক্ষে সকাল ৯টা থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ জোহার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান শিক্ষক শিক্ষার্থীসহ সমাজের নানা শ্রেনীর মানুষ।
সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, শহীদ ড. শামসুজ্জোহার কণ্যা সাবিনা জোহা খান। এর পরপরই শিক্ষক শিক্ষার্থী, বিভিন্ন হল, ইনস্টিটিউট, বিভাগ ও সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
বিএনপির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানান দলের চেয়ারপারসনের অন্যতম উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু।
বাবার কবরে ফুল দিয়ে ড. জোহার কণ্যা সাবিনা জোহা খান বলেন, ‘৫ যুগ পরেও শিক্ষার্থীরা বাবাকে ধারণ করে -এর চেয়ে বেশি কিছু চাওয়া পাওয়া নেই।’ এটি সন্তানের জন্য গর্বের বিষয় বলেও জানান তিনি। দিবসটিকে জাতীয় শিক্ষক দিবস হিসেবে ঘোষণা করার দাবিতে সকলকে এক হয়ে এই দাবি তুলতে বললেন তিনি।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. সালেহ হাসান নকীব বলেন, যেখানেই অপশাসন, নিপীড়ন নির্যাতনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমেছেন সেখানেই ড. জোহার নাম এসেছে। গত জুলাই আন্দোলনেও রংপুরের শহীদ আবু সাইদ জোহা স্যারকে স্মরণ করেছিলেন। অথচ দিবসটি এখনও জাতীয় ভাবে স্বিকৃতি পায়নি। তিনি আশ্বস্ত করেন, এই দিবসটি জাতীয় শিক্ষক দিবস উপলক্ষে স্বিকৃতি পেতে প্রধান উপদেষ্টা ও শিক্ষা উপদেষ্টার সাথে কথা বলবেন তিনি এবং দ্রুত বাস্তবায়নেরও আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে প্রধান ফটকের কাছে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের পাকিস্তানী সেনাবাহীনীর হাত থেকে রক্ষা করতে ড. জোহা নিজের বুক পেতে দিয়েছিলেন। সেখানেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান এই শিক্ষক।