বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও লিংকে আফসানা মিমির প্রতিবেদনে…
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বধ্যভূমির পাশে যুদ্ধকালীন সময়ের উদ্ধারকৃত মর্টার শেলটি নিরাপদ স্থানে নিষ্ক্রিয় করেছে বাংলাদেশ সোনবাহিনী।
আজ বুধবার দুপুর দুইটার দিকে উদ্ধারকৃত মর্টার শেলটি বগুড়া ক্যান্টনমেন্টের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা এটি নিষ্ক্রিয় করে। ক্যাপ্টেন মিনহাজের নেতৃত্বে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন সদস্য মিলে এটি নিষ্ক্রিয় করা হয়। এ সময় বিকট শব্দে মর্টার শেলটি বিস্ফোরণ ঘটে এবং প্রচন্ড শব্দে চারপাশ কম্পিত হয়।
এর আগে বেলা ১১টার দিকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা এসে বিশ্ববিদ্যালয়ের খননকৃত পুকুরের পার্শ্বে উদ্ধারকৃত মর্টার শেলটি পর্যাবেক্ষন করেন। পরে মর্টার শেলটি উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ধান ক্ষেতের পার্শ্বে নিরাপদ স্থানে এটি নিষ্ক্রিয় করা হয়।
গতকাল সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুকুর থেকে এক মাছচাষী মর্টার শেলটি পেয়ে পাশেই অবস্থিত বধ্যভূমির পাহারায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের কাছে নিয়ে আসেন। পরে পুলিশের সদস্যরা র্যাবে ফোন করলে র্যাবের দল এসে তা ঘিরে দেয়। যেহেতু এটি মর্টারশেল তাই র্যাবের সদস্যরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতা চায়। পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা এসে আজ তা নিষ্ক্রিয় করেন। বধ্যভূমির পাশেই শহীদ শামসুজ্জোহা হলে পাক হানাদারদের ক্যাম্প ছিলো। সেখান থেকেই ধারণা করা হচ্ছে, মর্টার শেলটি যুদ্ধকালীন সময়ের।