বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও লিংকে পলি রানী প্রতিবেদনে…
রাজশাহীর প্রাণ-প্রকৃতি, পরিবেশ ও ঢাকার পান্থকুঞ্জ হাতিরঝিল রক্ষায় সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার সকালে মহানগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরাম ও সবুজ সংহতি রাজশাহীর আয়োজনে এ সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের উপদেষ্টা ও বারসিক বরেন্দ্র অঞ্চলের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. শহিদুল ইসরামের সভাপতিত্ব ও বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন রাজশাহী প্রেসক্লাব এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসলাম-উদ-দৌলা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন কর্মী ওয়ালিউর রহমান বাবু, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সূভাষ চন্দ্র হেমব্রম, আদিবাসী যুব পরিষদ রাজশাহী জেলা কমিটির সভাপতি উপেন রবিদাস, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক নাদিম সিনা প্রমূখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চল তথা রাজশাহীতে নির্বিচারে বৃক্ষহত্যা ও পুকুর হত্যার পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে কৃষি জমিতে অবৈধভাবে পুকুর খননের মহোৎসব চলছে। শান্তির শহরখ্যাত রাজশাহীতে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণ। নেই সঠিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, আশংকাজনকভাবে সড়কে অরাজকতা, শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণ বাড়লেও নেই প্রয়োজনীয় তৎপরতা ও ব্যবস্থাপনা। এছাড়াও ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি শুরু থেকেই দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা এবং সমন্বয়হীনতার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে, যা পরিবেশগত সংকট এবং জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিদ্যমান পরিবেশ, জলাধার কিংবা প্রাণবৈচিত্র সুরক্ষা নীতি ও আইন লঙ্ঘন করে এই প্রকল্পের মাধ্যমে হাতিরঝিলের জলাধার ভরাট করে এর শ্রেণি পরিবর্তন করা হয়েছে এবং পান্থকুঞ্জের প্রায় ২০০০ গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে প্রাপ্ত নথি অনুযায়ী হাতিরঝিল ও পান্থকুঞ্জে নির্মাণকাজ পরিচালনা করার জন্য কোন পরিবেশ ছাড়পত্র নেই।
তাই আমাদের প্রত্যাশা, রাষ্ট্রের যে সংস্কারের অঙ্গীকার এই সরকারের ভিত্তি, প্রাণ-প্রকৃতি, পরিবেশ বিরুদ্ধে যায় এমন কোনো কাজকে এই সরকার প্রশ্রয় দেবে না।