বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও লিংকে পলি রানী প্রতিবেদনে…
যকৃত থেকে নিঃসৃত পিত্তরস চর্বি হজমে সাহায্য করে, আর সেই রস জমে থাকে ছোট্ট একটি থলিতে, যেটিই পিত্তথলি। পিত্তরসের উপাদানে ভারসাম্য নষ্ট হলে জমাট বাঁধে, তৈরি হয় পাথর। চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক সবথেকে ঝুঁকিতে কারা রয়েছেন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নারীরা পুরুষদের চেয়ে বেশি ঝুঁকিতে। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, ৪০ বছরের বেশি বয়সী, স্থূলকায় বা কম পরিশ্রমী, দীর্ঘদিন না খেয়ে থাকে, এমন মানুষদের এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। প্রাথমিক পর্যায়ে এর তেমন উপসর্গ থাকে না। তবে চর্বিযুক্ত খাবার খেলে হঠাৎ তীব্র পেটব্যথা, বমি, জ্বর কিংবা ত্বক ও চোখে হলদে ভাব দেখা দিতে পারে।
অনেকেই তা গ্যাস্ট্রিক ভেবে অবহেলা করেন।অধিকাংশ মানুষতো জানতেই পারেনা তাদের পিত্তথলিতে পাথর হয়েছে। এবার জেনে নেওয়া যাক এই রোগের চিকিৎসা সম্পর্কে পাথর অপসারণের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো অস্ত্রোপচার—ল্যাপারোস্কোপিক কোলেসিস্টেকটোমি। এটি নিরাপদ এবং বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি অনেকে ভুল ধারণা থেকে এ রোগের চিকিৎসার জন্য হোমিওপ্যাথি বা কবিরাজের দ্বারস্থ হন। কিন্তু মনে রাখবেন, এতে জটিলতা আরও বাড়ে। উপসর্গবিহীন পিত্তথলির পাথর থাকলে অনেক সময় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শুধু পর্যবেক্ষণই যথেষ্ট হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, ওজন নিয়ন্ত্রণ, চর্বি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা , নিয়মিত হাঁটা আর পর্যাপ্ত পানি পান ও সুষম খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে এই সমস্যা অনেকটাই এড়ানো সম্ভব। তাই উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন সুন্দর জীবন যাপন করুন ।