বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও লিংকে পলি রানীর প্রতিবেদনে…
রাজশাহীর পবা উপজেলায় কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার সকালে পবা উপজেলায় বিলনেপালপাড়া চাষী ক্লাব ও বারসিক এর যৌথ উদ্যোগে বরেন্দ্র অঞ্চল উপযোগী ধান জাত গবেষণার কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কৃষক নেতৃত্বে প্রয়োগিক কৃষি গবেষণা প্লট থেকে ধান কর্তন এবং সংগ্রহীত ধানগুলো প্রদর্শন শেষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাসরিকের পোগ্রাম অফিসার অমৃত সরকারের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পবা উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম ও আব্দুর রাজ্জাক, বারসিক বরেন্দ্র অঞ্চলের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শহিদুল ইসলাম, বিলনেপালপাড়া চাষী ক্লাব সংগঠনের সভাপতি মিজানুর রহমান, সাংবাদিক ইউসুফ আলী চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক রেজাউল করিম, কৃষক এনামুল হক, নাজমাসহ এলাকার কৃষক-কৃষাণী, ও বারসিকের কর্মকর্তাবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, মূলত যে দেশীয় জাতগুলো রয়েছে। এগুলোর বৈচিত্র গুলো জেনেটিক রিসোর্স গুলো হারিয়ে যাচ্ছে সেগুলে যাতে হারিয়ে না যায় এবং জলবায়ু সহিষ্ণু জাত যেগুলো আমাদের দেশে হাজার বছর ধরে চাষ হয়ে আসছিল সেগুলো টিকিয়ে রাখতে হবে। লোকো জাতের ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য বারসিক ও চাষী ক্লাব দীর্ঘদিন থেকে কাজ করে আসছে, যা প্রশংসনীয়।
সভায় কৃষকরা বলেন আমাদের গবেষণা প্লটে যে ২১ যাতের ধান চাষ করেছি সেগুলো সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে এবং সম্পূর্ণ রাসায়নিক স্মারক কীটনাশক মুক্ত জৈব সার এবং জৈব বালাইনাশক ব্যবহার করে উৎপাদন করা। এই জাত গুলোর মধ্যে আজলদীঘা স্বর্নমহরীসহ ৪টি জাত এই এলাকায় চাষযোগ্য ও লাভবান হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, আলোচনা শেষে গবেষণা প্লট থেকে সংগ্রহীত ২১টি জাতের ধানের মধ্যে ৪টি জাতের ধান এ অঞ্চলের চাষ উপযোগী বলে নির্বাচন করা হয়। জাত গুলো হলো আজলদীঘা,স্বর্নমহরী, দুধকলমও এনএমকেপি ১০৪।